Headlines

শেখ হা’সিনার ফে’রা নিয়ে যা আছে ‘ও’সির ফাঁ’/স হওয়া’ কল রে’/কর্ডে

শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে যা আছে ‘ওসির ফাঁস হওয়া’ কল রেকর্ডে

ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শেখ হাসিনার ফেরা নিয়ে যা আছে ‘ওসির ফাঁস হওয়া’ কল রেকর্ডে

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৯ পিএম

প্রধান সম্পাদক : সৈয়দ আশিক রহমান

বেঙ্গল মিডিয়া করপোরেশন লিমিটেড,১০২ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ

ই-মেইল : [email protected]

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি বিতর্কিত অডিও রেকর্ডকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানকে প্রত্যাহার (ক্লোজ) করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের সই করা এক কার্যালয় আদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, প্রশাসনিক কারণে ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি মো. রাকিবুল হাসানকে (আদেশে ভুলবশত রফিকুল ইসলাম লেখা হলেও পদবি অনুযায়ী রাকিবুল হাসান) সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও রেকর্ডে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে বিতর্কিত কথোপকথন শোনা যায়। অডিওতে এক কণ্ঠকে বলতে শোনা যায়, ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরলে কিছু হবে না। রাস্তার পুলিশ কত দুর্বল, তাই ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা না করে চলতি মাসেই তার দেশে আসা উচিত।’ সেখানে ‘পুলিশ কিছুই করতে পারবে না’ বলেও মন্তব্য করা হয়।

পুলিশের শীর্ষ ও রেঞ্জ পর্যায়ে বড় রদবদল

অডিও রেকর্ডটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে কড়া সমালোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই পুলিশ সদর দপ্তর থেকে প্রত্যাহারের এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

তবে ভাইরাল হওয়া এই অডিও রেকর্ডটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের প্রোফাইল থেকে পোস্ট দিয়ে সাফাই গেয়েছেন ওসি রাকিবুল হাসান। তার দাবি, অডিওটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। তিনি লেখেন, এআই প্রযুক্তি দিয়ে তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে এবং গণমাধ্যমকে সঠিক তথ্য যাচাই করে খবর প্রকাশের অনুরোধ জানান তিনি।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে

রাজধানীর খুচরা বাজারে এখনো কাটেনি বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট। দাম বাড়লেও অনেক মুদি দোকানেই মিলছে না তেল। দু-এক দোকানে পাওয়া গেলেও সেগুলো শুধু ২ বা ৫ লিটারের বোতল। আধা লিটার ও এক লিটারের তেলের বোতল নেই বললেই চলে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

খুচরা বিক্রেতা ও তেলের পাইকারি সরবরাহকারীরা বলছেন, গত ২ সেপ্টেম্বর ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়েছে কোম্পানিগুলো। তারপরও তারা সরবরাহ স্বাভাবিক করেনি। মূলত ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজারে কম ছাড়ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে বোতলজাত সয়াবিনের তীব্র সংকট হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা। ক্রেতা ধরতে অনেক বিক্রেতা এখন খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি শুরু করেছেন।

তেল কেনার জন্য ক্রেতারা ৪-৫টি দোকান ঘুরে একটিতে পাচ্ছেন, তাও কাঙ্খিত পরিমাণের বোতল মিলছে না।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, বাজারে সয়াবিনের আধা লিটার ও এক লিটার বোতলের সরবরাহ একেবারেই নেই বললে চলে। পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দিয়েও তেল পাচ্ছেন না তারা। এখন শুধু দু-তিনটি কোম্পানি বোতলজাত সয়াবিন তেল বাজারে ছাড়ছে; যা চাহিদার তুলনায় সামান্য। তাও শুধু ২ ও ৫ লিটারের বোতলে।

বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে এখন প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম হয়েছে ২০৪ টাকা। অর্থাৎ, ২ লিটার তেল কিনতে এখন ক্রেতাকে একসঙ্গে গুনতে হচ্ছে ৪০৮ টাকা এবং পাঁচ লিটার তেলের জন্য ১০২০ টাকা।

অন্যদিকে, খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, তেল কোম্পানিগুলো তাদের বিক্রির কমিশন একবারে কমিয়ে দিয়েছে। এখন প্রতি লিটারে মাত্র এক টাকা কমিশন দিচ্ছে।

রামপুরা এলাকায় ভাই ভাই স্টোরের দোকানি আফজাল হোসেন বলেন, ৫ লিটার তেল কিনলে এমনিই মানুষ ৫-১০ টাকা কম দিতে চায়। এখন আমাদের মুনাফাই ৫ টাকা। অর্থাৎ, হাজার টাকা ইনভেস্ট করে লাভ হচ্ছে ৫ টাকা। তাও কোম্পানি তেল দিচ্ছে না। সবাইকে জিম্মি করে রেখেছে।

এদিকে, বোতলজাত তেলের এ সংকটে খোলা তেলের দাম হুহু করে বাড়ছে। প্রতি লিটার সয়াবিন এখন ২০৫-২০৮ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা যাচ্ছে। এছাড়া, পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকা দরে।

দিনে তালা, রাতে ব্যবসা: আবাসিক ভবন থেকে ৩ লাখ সিগারেট জব্দ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে দুটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালিয়ে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৪০০ শলাকা বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। জব্দ করা সিগারেটের বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।

প্রেমিকার সঙ্গে অভিমান করে ‘ভয়ংকর সিদ্ধান্ত’ নিলেন রাফসাদ

রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে রাফসাদ মোস্তফা রুহিন (২২) নামের এক বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলের দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মৃত শিক্ষার্থীর খালাতো ভাই ইমতিয়াজ কামাল জানান, বছরখানেক ধরে এক তরুণীর সঙ্গে রাফসাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সম্পর্কে মনোমালিন্যের জের ধরে তিনি আ/ত্/ম/হ/ত্/যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইমতিয়াজ জানান, রাফসাদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার সিপাহীপাড়ায়। তার বাবার নাম জামাল উদ্দিন রিপন। হাজারীবাগের ঝিগাতলা ৪/এ রাস্তার জাহানারা মেনশন নামের ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন তিনি। দুই ভাইয়ের মধ্যে রাফসাদ ছিলেন ছোট।

এ বিষয়ে হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম মিয়া বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ সংবাদ পেয়ে বিকেলের দিকে হাজারীবাগের বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে স্বজনেরা জানিয়েছেন, প্রেমঘটিত বিষয়ে অভিমান করে রাফসাদ আ/ত্/ম/হ/ত্/যা করেছেন। বাসার ডাইনিং রুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে প্লাস্টিকের রশি গলায় পেঁচিয়ে ফাঁস নেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *