১. লিঙ্গপরিচয়ের পরিবর্তন
কোনো ব্যক্তিকে জন্মের সময় মেয়ে হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও তাঁর নিজের লিঙ্গপরিচয় পুরুষ হতে পারে। এমন ব্যক্তিকে ট্রান্সজেন্ডার পুরুষ বলা হয়। তিনি পুরুষ হিসেবে জীবনযাপন করতে পারেন।
২. হরমোন চিকিৎসা
চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে টেস্টোস্টেরন হরমোন গ্রহণ করলে কণ্ঠস্বর ভারী হওয়া, মুখে দাড়ি-গোঁফ ওঠা, পেশির গঠনে পরিবর্তন এবং শরীরে লোম বাড়ার মতো পরিবর্তন হতে পারে। তবে ফল ব্যক্তি ভেদে আলাদা হয়।
৩. অস্ত্রোপচার
কেউ চাইলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শে বুকের গঠন বা যৌনাঙ্গের কিছু বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের অস্ত্রোপচার করাতে পারেন। তবে সব পরিবর্তন সম্ভব নয়, এবং প্রতিটি অস্ত্রোপচারের নিজস্ব ঝুঁকি রয়েছে।
তাহলে কি সম্পূর্ণ জৈবিক পুরুষ হওয়া সম্ভব?
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।
-
পুরুষের মতো বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য অর্জন: হরমোন ও অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অনেকটাই সম্ভব।
-
পুরুষের যৌনাঙ্গ তৈরি: নির্দিষ্ট অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে সম্ভব, তবে ফল ও কার্যক্ষমতার সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
-
শুক্রাণু তৈরি করে স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্মদানে অবদান রাখা: বর্তমানে জন্মের সময় নারী হিসেবে চিহ্নিত ব্যক্তির ক্ষেত্রে শুধু হরমোন বা প্রচলিত লিঙ্গ-নিশ্চিতকরণ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কার্যকর শুক্রাণু তৈরি করা সম্ভব নয়।
অর্থাৎ, একজন ট্রান্সজেন্ডার পুরুষের পুরুষ হিসেবে জীবনযাপন করা সম্পূর্ণ সম্ভব, কিন্তু শরীরের সব প্রজননগত বৈশিষ্ট্য জৈবিক পুরুষের মতো করে পরিবর্তন করা বর্তমানে সম্ভব নয়।
আপনি কি জানতে চাইছেন—মেয়ে থেকে ছেলে হলে পুরুষাঙ্গ তৈরি করা যায় কি না, নাকি বিয়ে ও সন্তান জন্মদানের সক্ষমতা থাকে কি না? দুটির ব্যাখ্যা আলাদা।
