Headlines

যে একবার ম*রা*র হাত থেকে বেঁ*চে আসে সেই শুধু জানে সেই সময় কেমন লাগে

যে একবার ম*রা*র হাত থেকে বেঁ*চে আসে সেই শুধু জানে সেই সময় কেমন লাগে 👇👇
ডাক্তার বলেছেন, আর সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর বাঁচতে পারব!”—মৃ*/ত্যুর এমন কঠিন পূর্বাভাস শুনেও হার মানেননি অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি। 😢
জীবনের গল্পটা কখনো কখনো এতটাই নির্মম হয়, যা শুনলে চোখের পানি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। পর্দায় যাঁকে হাসিখুশি চরিত্রে দেখা যায়, সেই অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টির জীবনেই নেমে এসেছিল এক ভ/য়া/বহ দুঃসময়।
মস্তিষ্কে টিউমার ধ/রা পড়া, একের পর এক অস্ত্রোপচার, রেডিওথেরাপি, এমনকি একপর্যায়ে লাইফ সাপোর্টেও থাকতে হয়েছে তাঁকে। প্রায় ১০ মাস চিকিৎসা আর অসুস্থতার সঙ্গে ল/ড়াই করে অভিনয় থেকে দূরে থাকতে হয়েছে এই অভিনেত্রীকে।
সবচেয়ে বেশি ভে/ঙে পড়েছিলেন তখন, যখন ভারতের চেন্নাইয়ের চিকিৎসকেরা তাঁকে জানিয়েছিলেন, তাঁর আয়ু হয়তো আর সাড়ে চার থেকে পাঁচ বছর! এমন কথা শোনার পর একজন মানুষ মানসিকভাবে কতটা বিপর্যস্ত হতে পারেন, তা কল্পনা করাও কঠিন।
একসময় অস্ত্রোপচারের আগে পরিবারের সদস্য ও সহকর্মীদের সঙ্গে অনেকটা শেষ বিদায়ের মতো করেই কথা বলেছিলেন তানিয়া। দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের সময় শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে তাঁকে লাইফ সাপোর্টেও রাখতে হয়। আইসিইউতে জ্ঞান ফেরার পর পাশে মা ও বোনকে দেখে নতুন করে সাহস ফিরে পান তিনি।
বাবাকে হারানোর শোকের মধ্যেই অসুস্থতার এই কঠিন সময় পার করতে হয়েছে তাঁকে। মায়ের নিরলস সেবা, পরিবারের ভালোবাসা আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের দোয়া তাঁকে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শক্তি জুগিয়েছে।
তবে এত কিছুর পরও থেমে থাকেননি তানিয়া। দীর্ঘ বিরতি শেষে আবারও ফিরেছেন শুটিংয়ে। নতুন করে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অনুভূতিকে নিজের দ্বিতীয় জন্মের মতো মনে করছেন তিনি।
যদিও এখনো পুরোপুরি সুস্থ নন। চিকিৎসা চলছে, বাকি রয়েছে দুই মাসের কেমোথেরাপি। এরপর এমআরআই ও সিটি স্ক্যান করে টিউমারের বর্তমান অবস্থা জানা যাবে।
জীবন যে কতটা অনিশ্চিত, তানিয়া বৃষ্টির এই গল্প যেন আবারও তা মনে করিয়ে দিল। এত প্রতিকূলতার পরও তাঁর বেঁচে থাকার স্বপ্ন, অভিনয়ে ফেরার আকাঙ্ক্ষা সত্যিই অনুপ্রেরণার।
আমরা মন থেকে দোয়া করি, সব অসুস্থতা কাটিয়ে আবারও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠুন তানিয়া বৃষ্টি। তাঁর জীবনে ফিরে আসুক সুস্থতা, আনন্দ আর সুন্দর আগামী। ❤️🤲

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *