একটা গার্মেন্ট শ্রমিকের ৩০০০০ টাকা বেতন হলে মাস শেষে ওভার টাইম সহ তাদের বেতন উঠবে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। ৩০ হাজার টাকা বেতন কি কোন যুক্তিসংগত। যারা এ সমস্ত কাজে জড়িত সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাদেরকে ধরে রা*ষ্ট্র*দ্রো*হ মা*ম*লা দেওয়া উচিত।
আমি গার্মেন্টসে প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে পাঁচ থেকে ছয় বছর নিয়োজিত ছিলাম। আমি জানি প্রত্যেকটা শ্রমিকের প্রত্যেকদিন ৪ থেকে ৫ ঘন্টা ওভারটাইম হয়। ওভারটাইমের ঘণ্টার মজুরি মূল বেতনের ডাবল মজুরি পায়। তাহলে ৩০ হাজার টাকা বেতন হলে মাসে তার বেতন কত হতে পারে?
যেখানে অফিসাররা ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় চাকরি শুরু করে লাইনচীপ সুপারভাইজাররা বেতন পায় ২০-৩০ হাজার টাকা সেখানে একজন শ্রমিকের বেতন কি ৩০ হাজার টাকা দেওয়া সম্ভব।
এই যে গার্মেন্টস ভা*ঙ*চু*র করতেছে পাবলিকের গাড়ি ভা*ঙ*তে*ছে, যারা ভা*ঙ*তে*ছে তাদের বাপের টাকা দিয়ে কেনা। একটা গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে গেলে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হয়ে যাবে।
গার্মেন্টস চললে তাও তো ২০-২৫ হাজার টাকা ইনকাম করতে পারে ওভারটাইমসহ যদি বন্ধ হয়ে যায় এক টাকাও আসবে না, খাবে কি পড়বে কি, ছেলে সন্তানকে কি খাওয়াবে।
যারা ভাঙতেছে তাদের তো এই চিন্তা নাই বিপদে পড়বে সাধারণ শ্রমিকরা গার্মেন্টস মালিকরা আবার দুই একজনকে চিহ্নিত করে রাখবে তাদেরকে দুই তিন মাস পরেই চাকরি থেকে বের করে দিবে।
শান্তভাবে আন্দোলন করা উচিত আমাদের সবার এখন যেহেতু সরকার মঞ্জুরী গঠন করেছে সরকারের প্রতিনিধি বিজিএমই এবং শ্রমিক দলের প্রতি
