আপার আমলে যেমন পাসের হার, তেমন জিপিএ-৫! শিক্ষা ব্যবস্থার অতীত ও বর্তমান নিয়ে নতুন আলোচনা
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সাম্প্রতিক পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা। বিশেষ করে আগের সময়ের পরীক্ষার ফলাফল এবং বর্তমান সময়ের ফলাফলের তুলনা সামনে আসছে। অনেকের বক্তব্য, শেখ হাসিনার শাসনামলে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার যেমন বেশি দেখা যেত, তেমনি জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য।
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার কমে যাওয়ায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—আগের সময়ের শিক্ষা ব্যবস্থা কি বেশি ভালো ছিল, নাকি পরীক্ষার মূল্যায়ন পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তন এসেছে?
আগের সময়ে পাসের হার ও জিপিএ-৫ নিয়ে আলোচনা
শেখ হাসিনার সরকারের বিভিন্ন সময়ে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় উচ্চ পাসের হার দেখা গেছে। কোনো কোনো বছর পাসের হার ৯০ শতাংশের ওপরে ছিল। পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যাপক আলোচনা হতো।
তখন অনেক শিক্ষার্থী ভালো ফলাফল করে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রস্তুতি নিতেন। অভিভাবকদের মধ্যেও সন্তানদের ভালো ফলাফল নিয়ে আনন্দ ও প্রত্যাশা দেখা যেত।
তবে শুধু পাসের হার বেশি হলেই শিক্ষার প্রকৃত মান বেশি ছিল—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র, মূল্যায়ন পদ্ধতি, পাঠ্যক্রম এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতাও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
বর্তমান ফলাফলে কেন এত আলোচনা?
সাম্প্রতিক এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
অনেকে আগের সময়ের ফলাফলের সঙ্গে বর্তমান সময়ের ফলাফল তুলনা করছেন। তাঁদের প্রশ্ন, আগে যেখানে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেতেন, সেখানে এখন কেন এত শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারছেন না?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে শিক্ষ
