Headlines

বিয়ের পর মে’/য়েদের কো’/মর চওড়া হয়

বিয়ের পর অনেক নারীর শরীরের গঠনে কিছুটা পরিবর্তন দেখা যায়। এ কারণে সমাজে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে—বিয়ের পর মেয়েদের কোমর বা নিতম্ব নাকি স্বাভাবিকভাবেই চওড়া হয়ে যায়। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে শুধু বিয়ে করার কারণে কোমর চওড়া হয়ে যায়—এমন কোনো বৈজ্ঞানিক নিয়ম নেই।

বরং বিয়ের পর যে সময়টাতে শরীরে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে, সেই সময়ের সঙ্গে গর্ভধারণ, বয়স বৃদ্ধি, হরমোনের পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক কর্মকাণ্ডের পরিবর্তনও জড়িত থাকতে পারে।

বিশেষ করে গর্ভধারণের সময় নারীর শরীরে উল্লেখযোগ্য শারীরিক পরিবর্তন ঘটে। গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়ে এবং শরীরের গঠনেও পরিবর্তন আসতে পারে। সন্তান জন্মের পরও কিছু ওজন বা শরীরের চর্বি থেকে যেতে পারে। গবেষণাতেও সন্তান ধারণের পর ওজন ও কোমরের পরিধিতে কিছু পরিবর্তনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—কোমর বা নিতম্বের বাইরের আকৃতি দেখে কারও পেলভিসের গঠন বা সন্তান জন্ম দেওয়ার সক্ষমতা নির্ধারণ করা যায় না। বাহ্যিকভাবে চওড়া নিতম্ব থাকা মানেই প্রসব সহজ হবে, এমন নিশ্চয়তাও নেই।

অন্যদিকে যৌনসম্পর্কের কারণেও নারীর কোমর স্থায়ীভাবে চওড়া হয়ে যায়—এমন ধারণারও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। যৌনসম্পর্ক শরীরের আকৃতি স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করে না; তবে যৌনজীবনের সঙ্গে যদি গর্ভধারণ ঘটে, তখন গর্ভাবস্থার স্বাভাবিক শারীরিক পরিবর্তনের কারণে শরীরের গঠনে পরিবর্তন আসতে পারে।

বিয়ের পর জীবনযাপনের পরিবর্তনও শরীরের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। খাদ্যাভ্যাস বদলে যাওয়া, শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া, ব্যায়ামের অভ্যাস পরিবর্তন কিংবা ওজন বেড়ে গেলে কোমর ও নিতম্বের পরিধিতেও পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।

সন্তান জন্মের পর শরীরকে আগের অবস্থায় ফিরতে সময়ও প্রয়োজন হয়। আমেরিকান কলেজ অব অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্টস (ACOG) বলছে, সন্তান জন্মের পর নারীর শরীরে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক পরিবর্তন ঘটে এবং সুস্থভাবে ধীরে ধীরে শারীরিক কর্মকাণ্ডে ফিরে আসা গুরুত্বপূর্ণ।

তাই “বিয়ে করলেই মেয়েদের কোমর চওড়া হয়”—এমন কথা সঠিক নয়। কারও শরীরে এমন পরিবর্তন দেখা দিতে পারে, আবার কারও শরীরে নাও দেখা দিতে পারে। প্রত্যেক মানুষের শারীরিক গঠন আ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *