আপনাদের নিশ্চয়ই ২০১৮ সালের রমজান মাসে সেহরির সময়ের সেই হৃদয়বিদারক ঘটনার কথা মনে আছে।
ঘর থেকে তুলে নিয়ে ফোনকলে অন এয়ারে বউ-বাচ্চাদের রেখে কথিত বন**কযুদ্ধের নামে সেদিন হ** করা হয়েছিল টেকনাফের কাউন্সিলর একরামুল হককে।
গু***র শব্দে তার বাচ্চা মোবাইলের ওপাশ থেকে চিৎকার করে বলতেছিল, ‘আব্বু তুমি কান্না করছ যে!’
যে কান্নার আওয়াজ সারাদেশে মানুষের বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এমন কেউ হয়ত-বা নাই, যিনি এ কল রেকর্ডের সাউন্ড শেষ পর্যন্ত শুনতে পেরেছেন, তার চোখ দিয়ে পানি গড়িয়ে পড়েনি।
খুশীর সংবাদ হলো গতরাতেই এ্যারেস্ট করা হয়েছে কথিত ওই ব**কযুদ্ধে তৎকালীন র্যাব-৭ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদকে।
মিফতাফ উদ্দিন আহমেদ বর্তমানে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হয়ে বরিশাল সেনানিবাসের স্টেশন কমান্ডার হিসেবে কাজ করতেছিলেন, সেখান থেকে তাকে গতরাতে নিয়ে আসা হয় ঢাকা সেনানিবাসে।
এতোদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। ভাবছিলেন হয়ত বেঁচেই যাবেন, পুরোনো ঘটনা। র্যাব থেকে মুভ করে সেনাবাহিনীতে চলে এসেছেন, প্রমোশন নিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেলও হয়ে গেলেন।
বাট কথায় আছে পাপ বাপকেও ছাড়ে না। আল্লাহও শাস্তির জন্য উপযুক্ত সময় ঠিক করে রাখেন।
একরামুলের হতভাগা স্ত্রী, কন্যাদের জন্য এ খবরটি আশার আলো। তারা কিছুটা হলেও আজকে আনন্দিত হবেন।
সার্ভিং সেনা অফিসারকে এ্যারেস্ট করে সিভিলিয়ান কোর্টে বিচারের মুখোমুখি করা হইতেছে, অবিশ্বাস্য!
তারেক রহমানের ওপরে কেন আস্থা রাখব, এটাই এনাফ।
