এই সেই ১০ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও!
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাঞ্চল্য
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই নির্দিষ্ট সময় উল্লেখ করে বিভিন্ন ভিডিওর শিরোনাম ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। কখনো ৩০ সেকেন্ড, কখনো এক মিনিট, আবার কখনো ১০ মিনিটের বেশি দৈর্ঘ্যের ভিডিওকে কেন্দ্র করে তৈরি হয় নানা আলোচনা। সম্প্রতি ‘এই সেই ১০ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও!’—এমন একটি শিরোনামও নজর কাড়ছে।
তবে ভিডিওটি কীসের, কোথায় ধারণ করা হয়েছে, কারা এতে রয়েছেন কিংবা এটি আদৌ কোনো সাম্প্রতিক ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কি না—এসব বিষয়ে শিরোনামটি থেকে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। ফলে ভিডিওটি নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট দাবি করার আগে এর উৎস ও সত্যতা যাচাই করা জরুরি।
ভিডিওটি নিয়ে কেন সতর্ক থাকা প্রয়োজন?
অনলাইনে আকর্ষণীয় শিরোনাম ব্যবহার করে দর্শকের কৌতূহল বাড়ানোর প্রবণতা রয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভিডিওর প্রকৃত বিষয়বস্তুর সঙ্গে শিরোনামের মিল থাকে না। আবার পুরোনো ভিডিও নতুন ঘটনার নামে প্রচার করা কিংবা সম্পাদিত ফুটেজকে আসল বলে উপস্থাপন করার ঘটনাও ঘটতে পারে।
তাই শুধু ভিডিওর দৈর্ঘ্য উল্লেখ করা হয়েছে বলে সেটিকে সত্য বা গুরুত্বপূর্ণ কোনো ঘটনার প্রমাণ হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
অপরিচিত লিংকে ক্লিক করার আগে সতর্ক হোন
ভাইরাল ভিডিও দেখার নামে অনেক সময় অপরিচিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে বলা হয়। এসব লিংকের মাধ্যমে প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপন দেখানো, ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ কিংবা সন্দেহজনক অ্যাপ ডাউনলোড করানোর চেষ্টা হতে পারে।
নিরাপদ থাকতে অচেনা লিংকে ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না, সন্দেহজনক ফাইল ডাউনলোড করবেন না এবং ভিডিও দেখার জন্য অপ্রয়োজনীয় অনুমতি চাইলে তা এড়িয়ে চলুন।
ব্যক্তিগত ভিডিও হলে গোপনীয়তাকে সম্মান করুন
ভিডিওতে কারও ব্যক্তিগত বা অন্তরঙ্গ মুহূর্ত থাকলে তাঁর অনুমতি ছাড়া সেটি ছড়িয়ে দেওয়া গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে। এমন ভিডিও পাওয়া গেলে সেটি ডাউনলোড বা পুনরায় শেয়ার না করে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে রিপোর্ট করা দায়িত্বশীল আচরণ।
শেষ কথা
‘১০ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও’ শিরোনামটি কৌতূহল তৈরি করলেও ভিডিওটির প্রকৃত পরিচয় ও সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য নেই। তাই যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির নাম জুড়ে দেওয়া বা ভিডিওটির বিষয়বস্তু নিয়ে অনুমান করা উচিত নয়।
ভিডিওটি কোন ঘটনা বা ব্যক্তিকে নিয়ে, সে সম্পর্কে মূল পোস্ট বা নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও নির্দিষ্টভাবে যাচাই করা সম্ভব।
