মেয়েটার বাবা ১৩ দিন আগে দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন। আর আজ সেই মেয়েটিই পেল গোল্ডেন জিপিএ পাওয়ার সুখবর!
কিন্তু জীবনের এত বড় একটা অর্জনের দিনেও তার মুখে হাসি নেই। আনন্দের বদলে বাবাকে হারানোর শোকে কাঁদছে সে।
কারণ, তার বাবা ছিলেন তার সবচেয়ে বড় সাপোর্ট। বাবা সবসময় মেয়েকে বলতেন, ‘তোমার রেজাল্ট ভালো হবেই, তুমি পারবে।’
এমনকি অসুস্থ শরীর নিয়েও মেয়েকে সঙ্গে করে পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে গিয়েছিলেন। মেয়ের সাফল্য দেখার কত স্বপ্নই না ছিল মানুষটার!
আজ মেয়েটি সেই সাফল্য অর্জন করেছে। কিন্তু যে মানুষটা সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন, সেই মানুষটাই আজ পৃথিবীতে নেই!
মেয়েটি বাবার সঙ্গে কাটানো স্মৃতিগুলো মনে করছে আর চোখের পানি ফেলছে।
এই ঘটনাটার সঙ্গে হয়তো অনেকেই নিজের জীবনের মিল খুঁজে পাবেন।
আমরা জীবনে সফল হতে চাই, বড় কিছু অর্জন করতে চাই। আর সেই চাওয়ার পেছনে মা-বাবার অবদানই সবচেয়ে বেশি। আমরা স্বপ্ন দেখি, একদিন সফল হয়ে মা-বাবার মুখে হাসি ফোটাব, তাঁদের গর্বিত করব।
কিন্তু কখনো কখনো জীবনের নির্মম বাস্তবতা হলো, যখন আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের দেখা পাই, তখন মা-বাবার একজন কিংবা দুজনই আর পৃথিবীতে থাকেন না!
সাফল্য আসে, স্বপ্ন পূরণ হয়, অর্জনের খবরও আসে। শুধু সেই মানুষগুলোই আর পাশে থাকেন না, যাঁদের জন্য এত কিছু করা!
নিজের অর্জনের দিনে মা-বাবাকে পাশে না পাওয়ার এই আফসোস, এই শূন্যতা কাউকে বোঝানো সম্ভব নয়। সত্যিই, কাউকে না! ![]()
মে’য়েটার বাবা ১৩ দিন আগে দু’/নিয়া ছেড়ে চলে গেছেন
