আল্লাহ শহীদ ভাই টিকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। (আমিন )।পিয়াসের র**ক্তা**ক্ত লা/শ যখন গ্রামের বাড়িতে এসে পৌছালো, তখন তার বাবা ছেলের মুখটা শেষ বার দেখতে হন্ত দন্ত হয়ে ছুটে যাচ্ছিলো।
এমনিতে বয়সের ভাঁর, তার উপরে সন্তানের লা**শ! আহহহা রে কলিজা ফেটে যায় রে
!
পিতার কাঁধে এত ভা- রী উনি হাটতেই পারছিলেননা। যেনো বার বার নুয়ে পড়ছিলেন।। একজনের কাঁধে ভর দিয়ে পিয়াসের কফিনের সামনে গেলেন।।
“আবু বকর সিদ্দিক পিয়াস” উনার এক মাত্র ছেলে। উনার শেষ বয়সের একমাত্র লাঠি ছিলো এই পিয়াস।
৩ কন্যা সন্তান ও একটি মাত্র ছেলে সন্তান।। কিন্তু সেই শেষ বয়সের লাঠি টাই আল্লাহ নিয়ে গেলো, আল্লাহর প্রিয় হয়ে গেলো পিয়াস। পিয়াসের দে*হ যখন এসে পৌছালো তখন ওদের বাড়ির মধ্যে থেকে পিয়াসের মা, স্ত্রী আর বোনদের আহাজারিতে যেনো আকাশ, বাতাস সব ভারী হয়ে উঠছিলো।
সে কি গ*গ*ন*বিদারি চিৎকার। পিয়াসের স্ত্রী বার বার মূর্ছা যাচ্ছিলো স্বামীর শো-কে।।
পিয়াসের শিশু সন্তান টা বুঝলো ও না যে সবাই কেনো কাঁদছে! মা, দাদী, ফুফুরা যখন কাঁদছে বাচ্চা মেয়েটা শুধু এর ওর মুখের দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকাচ্ছিলো।
পিয়াসের বন্ধুরা ওর স্মৃতিচারণ করে বলছিলো – পিয়াস ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো, পড়ালেখায় খুবই ভালো ছিলো, ওর স্বপ্ন ছিলো অনেক পরিবারকে নিয়ে।। ৫ দিন পরেই পিয়াসের ডিগ্রি ফাইনাল পরীক্ষা ছিলো।। গ্রামের মানুষ সবাই আফসোস করছে, এত ভালো ছেলেটা এত তাড়াতাড়ি চলে গেলো।। পিয়াসের বন্ধুরা কান্নায় কথা বলতে পারছিলোনা।।
এই দৃশ্য চোখে দেখবার মতো না আল্লাহ ওদের ধর্য্য ধরার তৌফিক দিন। পিয়াসের জানাজা, দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
