Headlines

বিদেশে চা’/করি দেওয়ার কথা বলে নিয়ে গি’য়ে ক’/ফিলের কাছে

সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ধরনের শিরোনাম সাধারণত প্রতারণা ও মানবপাচারের মর্মান্তিক ঘটনাকে ক্লিকবেইট (Clickbait) আকারে উপস্থাপনের জন্য ব্যবহার করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে কাজের কথা বলে নিয়ে গিয়ে কফিল বা নিয়োগকর্তার কাছে অতিরিক্ত টাকায় বিক্রি করে দেওয়া বা অমানবিক নির্যাতনের ঘটনাগুলোর মূল বাস্তবতা:

  • আকামা বা ফ্রি ভিসার ফাঁদ: ফ্রি ভিসা বলে কোনো আইনি বৈধতা থাকে না; দালালরা উচ্চ বেতনের মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয় এবং সেখানে পৌঁছে প্রবাসীরা দেখতে পান তাদের অন্য কারও অধীনে হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • পাসপোর্ট জব্দ ও জিম্মিদশা: পৌঁছানোর পরপরই কফিল পাসপোর্ট ও কাগজপত্র আটকে রেখে শ্রম আইন লঙ্ঘন করে অমানুষিক পরিশ্রম করায়, বেতন আটকে রাখে অথবা অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে।

  • আইনি সুরক্ষার অভাব: চুক্তিপত্র বা বৈধ ভিসা না থাকায় প্রবাসীরা স্থানীয় পুলিশ বা শ্রম আদালতে অভিযোগ করতে ভয় পান এবং অনেকে অবৈধ হয়ে পড়েন।

প্রয়োজনীয় সতর্কতা:

  • বিএমইটি (BMET) ক্লিয়ারেন্স ও বৈধ স্মার্ট কার্ড ছাড়া কারও মাধ্যমে বিদেশে পাড়ি না জমানো।

  • সরকারি এজেন্সি (যেমন বোয়েসেল) বা অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগ চুক্তি যাচাই করে নেওয়া।

  • কোনো কারণে বিপদে পড়লে সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস বা প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করা।

আপনি কি এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সংবাদ প্রতিবেদন বা আইনি সহায়তার তথ্য জানতে চাচ্ছেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *